এই সময় মাথা ও মুখের ত্বকে র‍্যাশ, ব্রণ ও চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়

এই সময় মাথা ও মুখের ত্বকে র‍্যাশ, ব্রণ ও চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়

আমারদেশ প্রতিদিন ডেস্কঃ  বাড়ছে গরম, এর মধ্যে যখন তখন বৃষ্টি। দেখা যায়, এই সময়ে মাথার ত্বক সবসময় ভেজা থাকে। কখনো ঘামে, আবার কখনো বৃষ্টিতে ভিজে। এর ফলে ধুলাবালি ও ময়লা জমাট বেঁধে চুল ও মাথার ক্ষতি করে।

এই সময় মাথা ও মুখের ত্বকে র‍্যাশ, ব্রণ ও চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়। গরমে মাথার ত্বক সুস্থ রাখতে সঠিক জীবনাযাত্রা ও সুশৃঙ্খল নিয়ম মেনে চলা উপকারী।

‘বিউটি বাই আনাহাতা’র প্রতিষ্ঠাতা ভারতীয় রূপবিশেষজ্ঞ রাধিকা আয়ার তালাতি’র পরামর্শ হল, মাথার ত্বক শুষ্ক ও পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করতে হবে।

টাইমস অফ ইন্ডিয়া’তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই উদ্যোক্তা আরও বলেন, সূর্যের অতিরিক্ত তাপ, প্রচণ্ড আর্দ্রতা থেকে ঘার্মাক্ত মাথায় দ্রুত ময়লা জমে। মাথার ত্বক ভালো মতো পরিষ্কার করতে বেশ কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করা যায়। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো-

সপ্তাহে কমপক্ষে তিনবার চুল পরিষ্কার করুন

গরমকালে প্রতি একদিন অন্তর অন্তর চুল পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এতে বাড়তি ঘাম ও ময়লা দূর হয়। অন্যথায়, তা মাথার ত্বক ও চুলে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। প্রতিবার চুল ধোয়ার পরে তা প্রাকৃতিক উপায়ে শুকানোর চেষ্টা করুন। অর্থাৎ বাতাসে চুল শুকান।

মৃদু শ্যাম্পু ব্যবহার

প্রচলিত শ্যাম্পু ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি যা মাথার ত্বক ও চুলে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক শ্যাম্পু চুলকে মসৃণ রাখে। আর উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

মাথার ত্বক মালিশ

নিয়মিত মাথায় তেল মালিশ করতে হবে। এতে চুল ও মাথার ত্বক আরাম পায় ও সুস্থ থাকে। নারকেল তেল হালকা গরম করে ঘড়ির কাটার দিকে ও এর বিপরীত দিকে ১০ মিনিট মালিশ করুন। মাথায় সারা রাত তেল রাখা উপকারী।

পর্যাপ্ত পানি পান

নিজেকে আর্দ্র রাখা মাথার ত্বক ও চুলে চমৎকার কাজ করে। দৈনিক কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান মাথার ত্বক ঠাণ্ডা রাখে। পানি পানের পাশাপাশি প্রতিদিন আখের রস ও টক-জাতীয় ফলের রস খাওয়া শরীর আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে।

স্টাইলিং যন্ত্রপাতি দূরে

ঘন ঘন স্টাইলিং যন্ত্রপাতি ব্যবহার চুল ও মাথার ত্বকের ক্ষতি করে। গরমকালে চুলে কোনো রকমের স্টাইলিংয়ের প্রসাধনী ও যন্ত্র ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

মাথার ত্বক ও চুলের সুস্থতায় খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ওমেগা-থ্রি, পর্যাপ্ত শস্য, ডাল-জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায় যোগ করুন। রাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খাবার শেষ করুন ও পরিমাণে কম খান। এছাড়াও খাবারে আঁশ ও বেশি প্রোটিন যোগ করুন। সপ্তাহে একদিন তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন, এতে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম

মন ও শরীর ভালো রাখতে নিয়মিত শ্বাসের ব্যায়াম করা প্রয়োজন। হজমক্রিয়া বাড়াতে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে এবং মানসিক চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে শরীরচর্চা করা উপকারী। দৈনিক ১০ মিনিট ‘প্রাণায়ম’ অনুশীলন স্নায়বিক চাপ কমায়, মন শান্ত রাখে ও রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020
Design BY Soft-Mack